যায়যায়বেলা
যায়যায়বেলা

ভবানীপুরে যে খেলা হবে তা শেষ হবে ভারত জয়ে: মমতা

কয়েক দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ভবানীপুর থেকে দেশ দেখবেন। এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে বললেন, ভবানীপুরে যে খেলা হবে, তা শেষ হবে ভারত জয়ে।

এদিন প্রচারসভাগুলোতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিলেন। তার দাবি— কেরালা, আসামে আমরা (তৃণমূল) পা রেখেছি। এমন কোনো রাজ্য নেই, যেখান থেকে মানুষ আমাদের কাছে আসেননি। তারা বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাই। লাখ লাখ চিঠি পেয়েছি। তাদের বক্তব্য— দেশ কা নেতা ক্যায়সা হো, মমতাদি জ্যায়সা হো।

ভবানীপুরের এই নির্বাচনকে তৃণমূল যে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে, এদিন তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা, অভিষেক দুজনই।

এই সূত্রে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক প্রায় একই সুরে কংগ্রেস এবং অন্য বিরোধীদের থেকে নিজেদের আলাদা করে দেখিয়েছেন। যদুবাবুর বাজার লাগোয়া অঞ্চলের প্রথম সভায় মমতা বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের বোঝাপড়া আছে। তাই কংগ্রেস ছেড়েছি। এখনও আছে। বিজেপির সঙ্গেও বোঝাপড়া আছে। জগাই, মাধাই, গদাই— এখানেও নির্বাচনে অনেক কাণ্ড করবে।

তার আগে অভিষেকের মন্তব্য— কংগ্রেস, সিপিএম, শরদ পাওয়ারের এনসিপি, বিএসপির মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলও সর্বভারতীয় দল। এদের মধ্যে বশ্যতা স্বীকার না করে, মেরুদণ্ড বিক্রি না করে, আত্মসমর্পণ না করে একমাত্র লড়াই করছে তৃণমূল।

ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দেয়নি কংগ্রেস। তবে গত কয়েক দিনের প্রচারে লাগাতার কংগ্রেসের সমালোচনায় সরব মমতা ও অভিষেক। শুধু তা-ই নয়, লোকসভা ভোটের আগে তারা কংগ্রেসের সম্ভাবনা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রকাশ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন।

সোমবার ভবানীপুরসহ রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচার শেষ হচ্ছে।

যায়যায়বেলা