যায়যায়বেলা
যায়যায়বেলা

অবৈধ গ্যাস সংযোগ একজন নিহত হওয়া বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন ও সদর থানায় লিখিত অভিযোগ। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোর্কণঘাট এলাকায় অবৈধ  গ্যাস সংযোগ প্রদানকারী বিল্লাল মিয়া পিতাঃমৃত জুরু মিয়ার বিরুদ্ধে ২৭/১০/২০২২ তারিখে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড কোম্পানির উপ-মহাব্যাবস্থাপকের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন গোর্কণঘাট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন অভিযোগ নং-৩০১৭। অভিযোগ সূএে জানা যায়,বাবুল মিয়ার বাড়ীর একটি গ্যাসলাইন অবৈধভাবে খুলিয়া বিল্লাল মিয়া তার উকিল মেয়ের  জামাই আক্তার মিয়ার বাড়ীতে স্থানান্তর করে কিন্তুু উক্ত গ্যাস লাইনটি সঠিকভাবে না লাগানোর কারনে উক্ত অবৈধ গ্যাস লাইনের লিকেজ হইতে ৩০/০৯/২০২২ তারিখে রুমে গ্যাস ছড়াইয়া আগুন লেগে বাড়ীর ভাড়াটিয়া তারেক মিয়ার সারা শরীর পুড়ে ঝলসে গেলে তাকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিটে নিয়ে ভর্তি করালে ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ০৫/১০/২০২২ তারিখে মৃত্যুবরন করেন,অভিযোগ সূএে আরো জানা যায়,সরকারি নির্দেশনায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকলেও বিল্লাল মিয়া গোকর্ন ঘাটে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে নতুন সংযোগ ও চুলা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রদানকারী বিল্লাল মিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন গোর্কণঘাটের স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন সহ এলাকার লোকজন।বিল্লাল মিয়ার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় আরো একটি  লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাড়ীর মালিক , সরেজমিনে ও অভিযোগ সূএে জানা যায়,নিহত তারেক আক্তার হোসেনের গোর্কণ ঘাটের বাড়ীতে ভাড়া থাকতো,আবুল কাসেম লাদেনের বাড়ীটি আক্তার হোসেন কিনে বিল্লাল মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা লোকজনকে দিয়ে ঘরের ভিতরের  গ্যাসের লাইনটি স্থানান্তরিত করে   অনএ বসায় এবং অবৈধভাবে স্থানান্তর করার সময় মেইনলাইনের মুখ ভালোভাবে বন্ধ না করার কারনে রুমের ভিতরে থাকা  পাইপে  আগুন ধরে যায় এবং তারেকের সারা শরীর পুড়ে ঝলসে যায় তাৎক্ষণিক স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা কামাল  হোসেন ভিকটিমকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা বার্ন ইউনিটে রের্ফাড করলে কয়েকদিন চিকিৎসার পর তারেক  মৃত্যুবরন করেন।বাড়ীর ভাড়াটিয়া হামিদা বেগম জানান,আমার পাশের রুমেই তারেক থাকতো, রাতে  গ্যাসের  আগুন লাগে তারেকের রুমে এবং তারেক মারা যায় আমরা দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে প্রানে বেঁচেছি তাঁকেও বাঁচানোর চেস্টা করেছি কিন্তুু বাঁচাতে পারিনি আমাদের চোখের সামনে সে ঝলসে গেছে আমার চিৎকারে আশপাশের কেউ এগিয়ে আসেনি হামিদা আরো বলেন, তারেকের রুমের ভিতরে গ্যাসের লাইনটি অন্য জায়গায় সরানো হইছে কিন্তুু রুমের ভিতরের লাইনটি বন্ধ না করার কারনে গ্যাস পুরো রুমে ছড়িয়ে আগুন ধরে যায়  ,অপর আরেক ভাড়াটিয়া জানান,গ্যাসের লাইনটি সঠিকভাবে স্থানান্তর না করার কারনে এবং রুমের ভিতরের  লাইনটি বন্ধ না করায় আগুন লেগে  সে মারা গেছে।স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন,তারেক যে রুমে ভাড়া থাকতো রুমের ভিতরে একটি গ্যাসের লাইন ছিলো বিল্লাল নামে একজন গোর্কণঘাট এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয়,সে তার উকিল মেয়ের জন্য একটা জায়গা কিনছে এবং সে জোরপূর্বক অন্য জায়গায় লাইনটি স্থানান্তরিত করে কিন্তুু রুমের ভিতরের লাইনটি ভালো করে বন্ধ করেনি যার কারনে  আগুন ধরে তারেক মারা যায়,আমি নিজে তারেক কে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার ঢাকা রের্ফাড করলে আমরা তাকে ঢাকা নিয়ে যায় শেখ হাসিনা  বার্ন ইউনিটে এবং সেখানে সে মারা যায়  যারা এ অবৈধ গ্যাস সংযোগের সাথে যারা জড়িত আমরা তাদের সঠিক বিচার চাই, ভিকটিমের স্ত্রী রুনা বেগম বলেন,আমার স্বামী তারেক কাজের জন্য গোর্কণঘাট এলাকায় ভাড়া থাকতো,সে যে রুমে ভাড়া থাকতো সেখানে একটি গ্যাসের লাইন ছিলো রুমের ভিতরের গ্যাসের লাইনটি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয় কিন্তুু রুমের ভিতরের লাইনটি বন্ধ করেনি যার কারনে আগুন  লেগে আমার স্বামী মারা যায় আমি উপযুক্ত বিচার চাই,আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমরা অসহায় জীবনযাপন করতেছি।অভিযুক্ত বিল্লাল মিয়া বলেন, আমি কোন গ্যাস সংযোগ দেয়নি এ কাজটি অন্যরা করছে এবং যেহেতু তারেক এই বাড়ীতে গ্যাসের আগুন লেগে  মারা গেছে এলাকার সর্দারদের নিয়ে বিষয়টি আপোষ মীমাংসার চেষ্টা চলছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার এস আই সাইফুল বলেন,তারেক গ্যাসের লাইনে আগুন লেগে  মারা গেছে আমরা বিল্লাল মিয়ার বিরুদ্ধে  একটি অভিযোগ পেয়েছি এটি তদন্তাধীন আমি তদন্ত করতেছি।
যায়যায়বেলা