যায়যায়বেলা
যায়যায়বেলা

গোর্কণগাটে গ্যাসের রাইজারে আগুন একজন নিহত

যায় যায় বেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার’;

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোর্কণঘাট এলাকায় গ্যাসের রাইজারে আগুন লেগে তারেক নামে একজন নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায়  লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাড়ীর মালিক ও ভিকটিমের স্ত্রী রুনা বেগম, সরেজমিনে ও অভিযোগ সূএে জানা যায়,নিহত তারেক  আক্তার হোসেনের গোর্কণ ঘাটের বাড়ীতে ভাড়া থাকতো,আবুল কাসেম লাদেনের বাড়ীটি আক্তার হোসেন কিনে বিল্লাল মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা লোকজনকে দিয়ে ঘরের ভিতরের  গ্যাসের রাইজারটি স্থানান্তরিত করে  রাইজারটি অনএ বসায় এবং অবৈধভাবে স্থানান্তর করার সময় মেইনলাইনের মুখ ভালোভাবে বন্ধ না করার কারনে রুমের ভিতরে থাকা রাইজারের পাইপে হয়ে আগুন ধরে যায় এবং তারেকের সারা শরীর পুড়ে ঝলসে যায় তাৎক্ষণিক এলাকার কামাল হোসেন ভিকটিমকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা বার্ন ইউনিটে রের্ফাড করলে কয়েকদিন চিকিৎসার পর মৃত্যুবরন করেন।বাড়ীর ভাড়াটিয়া হামিদা বেগম জানান,আমার পাশের রুমেই তারেক থাকতো, রাতে বিকট শব্দে গ্যাসের রাইজারে আগুন লাগে তারেকের রুমে এবং তারেক মারা যায় আমরা দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে প্রানে বেঁচেছি তাঁকেও বাঁচানোর চেস্টা করেছি কিন্তুু বাঁচাতে পারিনি আমাদের চোখের সামনে সে ঝলসে গেছে আমার চিৎকারে আশপাশের কেউ এগিয়ে আসেনি হামিদা আরো বলেন, তারেকের রুমের ভিতরে রাইজার ছিলো,অপর আরেক ভাড়াটিয়া জানান,গ্যাসের রাইজারটি সঠিকভাবে স্থানান্তর না করার কারনে এবং রুমের ভিতর রাইজারটি রাখার কারনে আগুন লেগে  সে মারা গেছে।স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন,তারেক যে রুমে ভাড়া থাকতো রুমের ভিতরে একটি গ্যাসের রাইজার ছিলো বিল্লাল নামে একজন গোর্কণঘাট এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয়,সে তার উকিল মেয়ের জন্য একটা জায়গা কিনছে এবং সে জোরপূর্বক অন্য জায়গায় রাইজারটি স্থানান্তরিত করে কিন্তুু রুমের ভিতরে রাইজারের লাইনটি ভালো করে বন্ধ করেনি যার কারনে  আগুন ধরে তারেক মারা যায়,আমি নিজে তারেক কে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার ঢাকা রের্ফাড করলে আমরা তাকে ঢাকা নিয়ে যায় বার্ন ইউনিটে এবং সেখানে সে মারা যায়  যারা এ সংযোগের সাথে জড়িত আমরা তাদের সঠিক বিচার চাই, ভিকটিমের স্ত্রী রুনা বেগম বলেন,আমার স্বামী তারেক কাজের জন্য গোর্কণঘাট এলাকায় ভাড়া থাকতো,যে রুমে ভাড়া থাকতো সেখানে একটি গ্যাসের রাইজার ছিলো রুমের ভিতরে  আগুন  লেগে আমার স্বামী মারা যায় আমি উপযুক্ত বিচার চাই,আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমরা অসহায় জীবনযাপন করতেছি।অভিযুক্ত বিল্লাল মিয়া বলেন, আমি কোন গ্যাস সংযোগ দেয়নি এ কাজটি অন্যরা করছে এবং যেহেতু তারেক এই বাড়ীতে রাইজারটি বিস্ফোরণের কারনে মারা গেছে এলাকার সর্দারদের নিয়ে বিষয়টি আপোষ মীমাংসার চেষ্টা চলছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার এস আই সাইফুল বলেন,তারেক গ্যাসের রাইজার বিস্ফোরণে মারা গেছে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি এটি তদন্তাধীন আমি তদন্ত করতেছি।

যায়যায়বেলা