যায়যায়বেলা
যায়যায়বেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাইওয়ে পুলিশের হয়রানির প্রতিবাদে জেলা লোকালবাস মালিক সমিতির বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন জেলা লোকালবাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃত্ববৃন্দরা।

জেলা লোকালবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিয়ামত খানের নেতৃত্বে সোমবার সকালে খাঁটিহাতা বিশ্বরোড মোড় ঢাকা সিলেট ও কুমিল্লা সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এসময় লোকালবাস মালিক সমিতি সভাপতি আবুল বাশার, সাধারণ সম্পাদক নিয়ামত খান, কার্যকরী সদস্য হাজী রমজান আলী জুয়েল, সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল আওয়াল, সহ সভাপতি হাজী মোহাম্মদ মলাই মিয়া,সহ সম্পাদক হাজী ফুল মিয়া, দপ্তর সম্পাদক আক্তার হোসেন, কার্যকরী সদস্য হাজী ফিরোজ মিয়া, জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি হাজী সেলিম মিয়া, জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ উপস্থিত ছিলেন। জেলা লোকালবাস মালিক সমিতি সাধারণ সম্পাদক নিয়ামত খান বলেন, আমাদের পরিবহনের সুশৃঙ্খল পরিবেশ আমাদের শ্রমিক মালিকরা চেষ্টা করলেও দুর্নীতিবাজ পুলিশদের ধারা আমাদের এই গুলো ক্ষতিগস্থ হচ্ছে। আমি আহবান করব সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ জেলা প্রশাসক মহোদয় এসপি মহোদয় দৃশ্য আকর্ষণ করতেছি তরিদ আমাদের হাইওয়ের পরিবহনের যে যে সমস্যা আছে এগুলো দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। না হলো আমাদের পরিবহন শ্রমিক মালিকরা নির্যাতনের মুখে পরে গেছে। হাইওয়ে পুলিশের ধারা নির্যাতিত না হয় একটু খেলাল রাখবেন। জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, আকুল চন্দ্র বিশ্বাস আসার পর মহাসড়কের মধ্যে সিএনজি অটোরিকশা অনবর চলতেছে। আমরা তাকে অনুলিপি দেওয়ার সত্যও বন্ধ করে নাই। সিএনজি থেকে তিন হাজার টাকা মানতি নিয়ে অবাদে চলাচল করতেছে। আমরা মালিক সমিতি নেতৃত্ববৃন্দরা বড় ধরনের আন্দোলনের কর্মসূচি গহণ করব। গোগত এলাকার বাসিন্দারা বলেন, হাজার হাজার মানুষ দৈনন্দিন জরুরি চিকিৎসা, খাদ্য ও অন্যান্য কাজে মহাসড়কটি ব্যবহার করতে হয়। এই রাস্তায় অটোরিকশা, সিএনজি ও থ্রি-হুইলার চলাচলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হবে”। পুলিশের এসব অনিয়মের প্রতিবাদে জেলা লোকালবাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃত্ববৃন্দরা মহাড়কটি অবরোধ করে বিক্ষোভ করলে খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভকারীদেরকে থানায় ডেকে এনে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

যায়যায়বেলা