যায়যায়বেলা
যায়যায়বেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিসিকসহ তিতাস নদী পরিদর্শনে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যান  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

মাইন উদ্দিন চিশতী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিসিকসহ তিতাস নদী পরিদর্শনে নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যান ড. মঞ্জুর আহমেদ  চৌধুরী।  বুধবার ৫ এপ্রিল সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কিট হাউজে জেলার নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের নন্দনপুর শিল্পনগরী বিসিকের বিভিন্ন শিল্পকারখানা পরিদর্শন করেন। বিসিকের পানি নিষ্কাশন, বিভিন্ন শিল্পকারখানার ছাড়পত্র না থাকায় তিনি কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষিপ্ত হন। বিসিকের একমাত্র পুকুরটিতে শিল্প বর্জ্য ফেলার কারণে দূরাবস্থা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বিসিক থেকে সরাসরি শহরের শ্মশান ঘাট সংলগ্ন তিতাস নদী পরিদর্শনে চলে যান। সেখানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম সরাসরি যুক্ত হন। তিতাস নদী সংযোগ খালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেট নির্মাণে খালগুলো বিলুপ্ত এবং খালের দুই পাড়ের বাসিন্দাদের দখলের কারণে খালগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া, নদীর দখলদারিত্ব, নদীতে কচুরীপানা অপসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে জেলা প্রশাসক আলোচনা করেন। এ সময় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের সফরসঙ্গী ছিলেন ডিডি মনিটরিং আক্তারুজ্জামান তালুকদার, এডিসি রুহুল আমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল কুদদূস, বিসিক শিল্পনগরী কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, আভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. খালেদ হাসান, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট লোকমান হোসেন,  বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সাংবাদিক পিযুষ কান্তি আচার্য, বিজয় টিভি ও ভোরের দর্পণ প্রতিনিধি খায়রুল কবির ও মাইন উদ্দিন চিশতী  , নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক সংগঠন তরী’র সদস্য শামীম আহমেদ, নাফিজ আহমেদ সেলিম, সোহেল আহাদ, খালেদা মুন্নী, সুশান্ত পাল, হৃদয় কামাল ও নাজমুল খান।  তিতাস নদী পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলার সুশীল নাগরিকবৃন্দদের সাথে মত বিনিময় সভা করা হয়।

যায়যায়বেলা