যায়যায়বেলা
যায়যায়বেলা

মিনি কক্সবাজারে বিনোদনপ্রেমিদের ঢল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ধরন্তী বিল আকাশীর মিনি কক্সবাজারখ্যাত পুটিয়া ব্রিজ এলাকায় ঈদের তৃতীয় দিনেও দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। নবনির্মিত ত্রি-স্টার রিসোর্টকে কেন্দ্র করে এখানে বিনোদনপ্রেমিদের উপচেপড়া ভিড় যেন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

ঈদের দিন থেকে ঈদের ৩য় দিনেও পড়ন্ত বিকালে বিনোদনপ্রেমি লোকজন সেখানে ভিড় করতে দেখা যায়। সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের সরাইল কালিকচ্ছ বাজার থেকে পুটিয়া ব্রিজ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকালে হাজার হাজার দর্শনার্থীদের যাতায়াতে মুখরিত থাকে। এতে কালিকচ্ছ বাজারসহ সড়কটির বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই যানজট লেগে থাকে। 

ঈদের ছুটিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও ভৈরব, নরসিংদী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ঘুরতে আসে সরাইলের এই মিনি কক্সবাজারে।

জাতীয় পার্টি নেতা হাফেজ আলী নেওয়াজ, ইব্রাহিম মৃধা ও জিহাদ আহমেদ নামের তিন বন্ধু মিলে সেখানে প্রথমবারের মতো গড়ে তুলছেন আধুনিক মানের একটি রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট। বিনোদনপ্রেমিদের জন্য এটি আরও বাড়তি আনন্দের মাত্রাযুক্ত করেছে। 

এখানে আসা ভ্রমণপিপাসু মানুষদের কোথাও বসার তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এই ত্রি-স্টার রিসোর্ট। যদিও সম্পূর্ণ কাজ এখনো শেষ হয়নি বলে জানিয়েছেন রিসোর্টের মালিকপক্ষ। 

সরেজমিন রিসোর্ট এলাকায় দেখা যায়, মানুষের উপচেপড়া ভিড়। রিসোর্টের সামনে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের ভিড়ের কারণে। তারা এখানে প্রবেশ মূল্য ধরেছেন ২০ টাকা, সন্ধ্যা পর্যন্ত রিসোর্টটিতে দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় দশ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানান মালিক পক্ষের লোকজন। 

রিসোর্টের কর্মচারীরা জানান, ক্রেতাদের খাবার দিয়ে তারা কুলাতে পারছেন না। ধারণার চেয়েও বেশি বিক্রি হয়েছে। রিসোর্টিতে একসঙ্গে ১২৮ জন বসতে পারেন। 

এখানে খাবারের তালিকায় রয়েছে- দেশীয় নাস্তা, বাংলা-চাইনিজ খাবার, অ্যারাবিয়ান হেফসাসহ ভিন্ন স্বাদের খাবার।  নামাজের জন্য রয়েছে আলাদা জায়গা। রাতের আলোকসজ্জায় পাল্টে দেয় গোটা সড়কের চিত্র। 

দর্শনার্থীরাও খুশি এমন একটি রিসোর্ট পেয়ে। আরও কয়েকটি  রিসোর্ট এখানে হলেও দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়বে বলে ধারণা করছেন এখানে ঘুরতে আসা বিনোদনপ্রেমি লোকজন।

যায়যায়বেলা